বিয়ের দাবিতে গত ৬ দিন ধরে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছেন মিষ্টি আক্তার নামে এক কলেজপড়ুয়া তরুণী। দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ের উদ্দেশ্যে তাকে প্রেমিক নিজেই বাড়িতে নিয়ে এলেও পরে পারিবারিক চাপের কারণে তাকে সেখানে রেখে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এদিকে পাঁচ দিনেও কোনো সমাধান না হওয়ায় তরুণীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পুরাভিটা গ্রামের (জলব্রিজ এলাকা) ফেলু মিয়ার ছেলে মো. জীবন মিয়ার সঙ্গে উত্তর সাপমারী গ্রামের খুশরু মিয়ার মেয়ে মিষ্টি আক্তারের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।
গত বৃহস্পতিবার জীবন মিয়া মিষ্টি আক্তারকে বিয়ের উদ্দেশ্যে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন। তবে পরে পারিবারিক চাপের মুখে মিষ্টিকে বাড়িতে রেখে জীবন মিয়া সেখান থেকে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।
এরপর বিষয়টি মীমাংসার জন্য উভয় পরিবারের পক্ষ থেকে কয়েক দফা বৈঠক করা হলেও পাঁচ দিনেও কোনো সমাধান হয়নি। ফলে বিয়ের দাবিতে মিষ্টি এখনো জীবন মিয়ার বাড়িতে অবস্থান করছেন।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে অবস্থান করায় এবং মানসিক চাপের কারণে মিষ্টির শারীরিক ও মানসিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। মিষ্টির পক্ষ থেকে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগও করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন।
এদিকে, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে সোমবার এলাকাবাসীর উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং তরুণীর নিরাপত্তা ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মো. জীবন মিয়া ও তার পরিবারের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।



