জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মো. নূর আলম (৪০) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। মামলার পর শনিবার রাতে তাকে আটক করা হয়। পরে রোববার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আটক নূর আলম সানন্দবাড়ী পাটা ধোয়াপাড়া এলাকার মো. হেকমত মন্ডলের ছেলে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে শনিবার রাতে দেওয়ানগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন। মামলায় নূর আলমকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারী একজন গৃহিণী। তার স্বামী মো. বায়জিদ গত আড়াই বছর ধরে সৌদি আরবে প্রবাসে রয়েছেন। প্রতিবেশী হওয়ায় নূর আলমের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় ছিল। পরিচয়ের সূত্র ধরে নূর আলম তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সখ্যতা গড়ে তোলেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, গত ৩০ জুলাই পান খাওয়ানোর কথা বলে ওই নারীকে নিজের শয়নকক্ষে ডেকে নেন নূর আলম। ওই সময় তার স্ত্রী ও সন্তানরা বাড়িতে ছিলেন না। অভিযোগ, ফাঁকা বাড়ির সুযোগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন তিনি।
ভুক্তভোগীর চিৎকার শুনে সাক্ষীরা এগিয়ে এলে নূর আলম ঘরের দরজা খুলে দৌড়ে পালিয়ে যান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে ভুক্তভোগী স্থানীয় লোকজন ও সাক্ষীদের কাছে বিষয়টি জানান এবং মোবাইল ফোনে তার প্রবাসী স্বামীকেও ঘটনা অবহিত করেন। এরপর স্বামী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পরামর্শে শনিবার রাতে দেওয়ানগঞ্জ থানায় মামলা করেন তিনি।
দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, শনিবার রাতে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই রাতেই নূর আলমকে আটক করে। পরে তাকে রোববার আদালতে পাঠানো হয়েছে।




